শেরপুর সোমবার, 06 জুলাই 2026
ব্রেকিং নিউজ
শেরপুরে জুয়া ও অনলাইন বেটিংয়ের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স শেরপুরে নিখোঁজের একদিন পর ধানখেতে মাটিচাপা অবস্থায় ইজিবাইকচালকের লাশ উদ্ধার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে ৪৫ কেজি গাঁজাসহ মোটরসাইকেল জব্দ শেরপুরে নজরুল বর্ষের শুভ উদ্বোধন গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরলো পুলিশ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে পৌনে ১৩ লাখ শিক্ষার্থী পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্টের রায় প্রকাশ

গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্টের রায় প্রকাশ
News Banner

শেরপুর সময় ডেক্স
গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্টের রায় প্রকাশ
ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশের অনৈতিক চর্চা বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এ রায় ঘোষণা করেন। সোমবার (১১ মে) রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।

রায়ে বলা হয়েছে, অনাগত শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ ও প্রকাশ নারীর প্রতি বৈষম্য, কন্যাশিশু হত্যার প্রবণতা, সামাজিক ভারসাম্যহীনতা এবং সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থি। আদালতের মতে, এ ধরনের চর্চা নারীর মর্যাদা, সমতা ও জীবনের অধিকারের বিরুদ্ধে যায় এবং এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতারও লঙ্ঘন।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, বাংলাদেশে এ বিষয়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ, মনিটরিং ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিল। শুধু একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; বাস্তবায়ন, ডিজিটাল নজরদারি ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছাড়া এই অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব নয়।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, নিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরিচালিত অনাগত শিশুর ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট সংরক্ষণ ও তদারকির জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ থাকা প্রয়োজন।

হাইকোর্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ৬ মাসের মধ্যে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি ও নিয়মিত হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আদালত বলেন, ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের মাধ্যমে কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে বৈষম্য ও সম্ভাব্য নারী ভ্রূণ হত্যার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সংবিধানের ১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আদালত আরও উল্লেখ করেন, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে এ ধরনের কার্যক্রম আইন দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।

রায়ে আদালত এ নির্দেশনাকে “continuous mandamus” হিসেবে ঘোষণা করেন, যাতে ভবিষ্যতে নির্দেশনার বাস্তবায়ন আদালত তদারকি করতে পারেন। 

২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান গর্ভের শিশুর পরিচয় প্রকাশ বন্ধে এ রিট আবেদন দায়ের করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন তানজিলা রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।

এই সংবাদটি পঠিত হয়েছে: 102 বার
নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক স্টাফ

এই সাংবাদিকের মোট খবর: 161 টি

মন্তব্য করুন